Tuesday, January 31, 2017

হিন্দুস্তানীদের 'জী' -র তুলনায়
চরণ ছুঁয়ে প্রণাম বেশী নিকটের।
বয়োজেষ্ঠ্যের উপস্থিতিতে ধুম্রদন্ড সেবন যেরূপ-
অলীক প্রথা, তবু পালন-যোগ্য।
তা নিরীশ্বরবাদ যত সাবলীল ই হোক না কেন...

সমস্তই তো অভ্যেস আর ইতিহাস-
ভাবিতাম।
অতঃপর বুঝিলাম,
নবান্ন, সংক্রান্তি, বাউল, রাগ, কুন্তল, কুন্তলের ঘ্রান,
এইসবের মাহাত্ত্ব ও বিরাজমান।

মন্ডুক মন্ডুক থাকিবে, মহারাজ মহারাজ।
বুঝি; নত হই; গ্রহণ করি।
তদুপরি, জায়মানতা এই সমস্ত উপেক্ষা করিবে।
অনুরূপ যত স্বভাবজাত বা লোভনীয় হোক, 
আদল সংখ্যা নয়; আদল ব্যক্তিক বৈশিষ্ট্য!

তুমি, অর্থাৎ মনোনিবেশ করো;
মনোনিবেশ করো, নিজ দীঘিতে।

উপানৎ বেশিক্ষণ পরিধান করিলে
পদাঙ্গুলি গুলি বাস্তব অপেক্ষা বেশি কোমল দেখায়।
খায় না মাথায় দেয়?

Monday, January 30, 2017

জানি। বুঝি। বিশ্বাস ও করি।
বিশ্বাসে নয়, যুক্তিতে।
নাকি সন্তাপে?

কিন্তু সেটা গুণতান্ত্রিক নয়,
স্বভাব, ইতিহাস, অভ্যেসের- গন্ধে মাখা 
তাই দীর্ঘকালীন নয়।
আবেগ জনিত।
কিন্তু ত্রুটি তো নয়। কার ও।

প্রতিবর্তি ব্যাতিত সমস্তই তো আবেগ
উপার্জন ও।
তা সে যত যোগ্য প্রতিনিধিই হোক না কেন-
সাফল্ল্যের বা এলেম এর,
পরিচিত সৃজনশীলতার মতো 
সুখজনক বা নোনা নয়।

সব ই জানি। বুঝি।
অন্ধকার অথবা দুঃখবিলাস তবুও-
'মাংসরন্ধন-কালীন ঘ্রাণ'-এর মতো বিজয়ী।

ফুলের ভূমিকা বা সঙ্গা- শুধু নেহেরু।
জিন্না জিন্না,
বাহাদুর- লাল-বাহাদুর,
আর নেতাজি-পেঁয়াজি,
যেন কেজরিয়াল আর খড়্গপুর...
বিপরীতার্থক, মনোলোভা,
এবং দীর্ঘকালীন।
বাগ্মী যতই মিতভাষী বা অবিস্তৃত হোক 
সম্পৃক্তিক সম্পর্ক জনিত ঘোষনার
দ্বিতীয় হয়না।
পরিপাক-জায়ু শুধুমাত্র গতি। 

যোদ্ধার লটবহর থাকে;
চিত্রকরের তুলনায় বহু অধিক অতীন্দ্রি়, লটবহর।

যোদ্ধারও যেমন!
যেন যুদ্ধের আগে গম্য ছিল না,
'সূর্য দুঃখ্য করি বলে, নিন্দা শুনি স্বীয়....' আকৃতির-
উপঢৌকন সর্বদা চিত্রকরের।
যোদ্ধা নিঃশব্দ, নিবিড় আশ্বাস; শান্তি; বিশ্বাস।
কবিতা, আবেগ, উদাসীনতা, প্রমত্তা,
এমনকি বিমোহ ও,
চিত্রকরের অধিকার, যোদ্ধার নয়।

যোদ্ধার ওজর অন্যত্র
নির্বাচনের একমাত্র দীর্ঘকালীন ব্যাখ্যা-
দূরদর্শিতা।
শীতল, আপাতদৃষ্টিতে নিষ্ঠুর, দূরদর্শিতা।
অগত্যা অনুতাপ এমত ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অযাচিত।
যোদ্ধা সংজ্ঞায়িত দায়িত্বে,
সামাজিক, স্বাভাবিক, প্রিয় বা শান্তিপূর্ণ
হইতে পারে না। 


যোদ্ধাকে উপলব্ধি করিতে 
যুদ্ধক্ষেত্রের উপচিতি প্রয়োজন।

Saturday, January 28, 2017

ইন্দ্রিয় বা ইন্দ্র ছাড়াও- ইন্দু!
সক্রিয়, সাধারণত পিতৃব্যপুত্র, ইন্দু।
অম্বুদ, কজ্জল, দখিনা বাতাস, বা 
বিন্দু ও হইতে পারে; ইলশে গুঁড়ি ও।

কবিতা, চিত্র, চলচিত্র, সঙ্গীত, 
অনুষ্ঠান, উৎসব, পার্বণ,
একাকিত্ব অনুষঙ্গের অনুরক্তি;
বৈদেশিক বা বহিরাগত কারণে, 
অথবা সম্পূর্ণ অকারণে-
যদৃচ্ছভাবে অন্যত্রে যাপন।

ক্রিয়াভাব আবেগের প্রতিফলন না,
স্নেহের না, পূর্বিতারও নয়।

পরিচ্ছন্নতার অভাব নাই।
তবু এমত পরিচ্ছনতায়,
'যা হয় ভালোর জন্যে হয়' গোছের 
সান্তনা আছে।

Wednesday, January 25, 2017

আক্ষরিক ভাবে অর্থহীন,
অথচ জোড়া লেগে, অগ্রে অথবা পশ্চাতে, বহুমূল- প্রত্যয়।
আক্ষরিক ভাবে অর্থহীন,
অথচ বাক্যের প্রাণ- অব্যয়!

যতিচিহ্ন দৃশ্যত অর্থহীন, কিন্তু মূলতঃ মোটেই তা নয় 
তা বিশেষণ বা সর্বনাম যত কাছেরই হোক না কেন।

বর্ণহীন ব্যঞ্জনরাশি ও তাই-
বোকা হিজলগাছের মতো ঠায় তাকিয়ে থাকে,
প্রভু বা রচয়িতার দিকে।

দাবি কি?
দাবি এই যে:
আমাদের তবু, আলমারির কক্ষ চাই।
সে আমরা বুঝি; তা আমরা চৌধুরী বাড়ির ভূত হই বা নাই হই।
কিন্তু তাই বলে ইতিহাস, অভ্যেস বা পক্ষাঘাতের বিচার হবে না,
তা কি করে হয়?
অট্টালিকা তো অট্টালিকা ই, তা তে-
'দিনে দিনে খসিয়া পারিবে রঙ্গিলা দালানের মাটি'
বাঁধতে বা গাইতে নেই?


আসলে বোধ হয় তাই। যে-
বিচার অসমীচীন।
তা সে 'যতই কালো হোক...
দেখেছি তার কালো হরিণ চোখ'।

Tuesday, January 24, 2017

সন্তোষজনক সম্পৃক্তিতে উপরিক ও অধরিকের ভূমিকা
তর্কসাপেক্ষ হইলেও মূলত ধার্য্য।
এইরূপ সংশ্লেষে অনায়াসে প্রতীয়মান-
উপরিকের মেধার অপচয় ও মানসিক বৃদ্ধির চিরকারিতা।
উপারিকের ক্রোধ বা বিরক্তি, সুপ্ত বা অন্যথা, অগত্যা ন্যায্য।
ক্রোধের প্রকাশ, দীর্ঘকালীন হইলেও, নিছক সময়সাপেক্ষ
তথা, যথাসময়ে তাহার অভিব্যক্তি অনপরিহার্য্য।

অধরিকের অবস্থা ঠিক বিপরীত-
উপারিকের সান্নিধ্য তাহার যারপরনাই সাফল্ল্য,
সাফল্যের প্রবলতা এবং সঙ্গবসত দ্রুত প্রবর্ধনের
ফলে ঔদ্ধত্য সৃষ্টি হয়।

সত্য যত সাবলীল, বাস্তবায়ন তত দুরূহ
তথা এই সত্যে অনিশ্চয়তার সঞ্চারণ প্রদত্ত।
এমত বিরুপ অবস্থার একমাত্র ব্যাখ্যা যে অধরিকের উন্নয়ন
এই সত্য, পরিণয় ছাপাইয়া, দুই চরিত্রের অসাম্যে গুহ্য থাকে।
সূত্রগুলি এত প্রচলিত যে প্রায় সংজ্ঞায়িত-
সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাহা প্রদত্ত বলিয়া ভ্রম হয়;
প্রণয় বা পরিণয়ে এইরূপ আবেগের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
যানজট উভয়মুখী হইলে সম্পর্কের উষ্নতা বৃদ্ধি পায়,
বহু বর্ত্ম, তথাপি, একমুখী হওয়া সত্ত্বেও সুশ্রী।

নির্বাচন স্বতন্ত্রতার অংশগত হওয়া,
আর স্বতন্ত্রতা মনুষত্বের
প্রগতিশীল বিবর্তনের স্বভাবজ পরিণাম।
কিন্তু স্নেহ লটবহর লইয়া চলে
অহং তার একম এবং অদ্বিতীয়ং
কলহ, অবিশ্বাস, যাতনা ইত্যাদি অনুসরণ করে।

নির্বাচন সকলের মৌলিক অধিকার
নির্বাচন সূত্র বহির্ভূত হইলে বিমর্ষতা অনিবার্য
কিন্তু যাহাই অনিবার্য তাহাই যে সঠিক
বা জনৈকের ক্রটি
এইরূপ ভাবনা ন্যায্য নয়।

স্বতন্ত্রতা প্রদান করা তাই
সমস্ত সম্পর্কের সাফল্যের মূল হেতু
এবং মূল পরিশ্রম।

Sunday, January 22, 2017

যত্ন বা ক্ষত, উদ্দেশ্য- পরিধীর ন্যায় স্পষ্ট
বিধেয় সর্বদা আবছা; সর্বাঙ্গীন এবং দীর্ঘস্থানীয়।
সংক্ষিপ্ততা বর্জিত, আকারহীনতার প্রদর্শনী।
ক্ষুধা, সুগন্ধ, ফুল, শৈশব স্পষ্টত প্রিয়; কিন্তু সুলভ
অপ্রতিসাম্য দৃশ্যত উজ্জ্বল, কল্পনাপ্রসূত, বিরল,
বহিরাগত, ক্ষণিক; তথাপি গুণতন্ত্রের প্রতিরুপ।

যে কোনো পর্বতই এখন নীল, প্রায় দূরত্ব অজ্ঞানবাদী।
মেঘের মতো স্নিগ্ধ; বর্ষণের প্রবলতা ইচ্ছাদত্ত, আবেগনির্ভর; অর্থাৎ স্বার্থপর
তথাপি জ্ঞানী; সৃজনী; গবাক্ষ সংলগ্ন আরামকেদারা।
সহাবস্থান বা সমুদ্রের মতো নোনতা নয়,
অকৃত্তিম স্নেহ বা পক্ষপাতের মতো অট্ট নয়।

কলহে স্তব্ধতা একুল, ওকুলবিহীন; কূলবিহীন।
শান্তি, দ্বন্দ্ব পরিহার্য্য- ভ্রম মাত্র।
প্রাণের বেশি বড় শত্রু মাংশাসী না নিরামিষাশী,
পরিপ্রেক্ষিত বা সংজ্ঞা নির্ভর হওয়া সত্ত্বেও 
সংজ্ঞাগুলির উৎসজনিত সুস্থতা আছে; যেন মেধা - অভাবহীন।
আয়ত্ত্ব, শিক্ষাগত বা সহজাত।

সমস্তই পরিচিত, অনায়াসে বোধগম্য
তবুও পলায়ন, এমন কি সম্মত অনুপস্থিতি ও অনুকূল নয়
কেননা যাত্রা; যাত্রার দীর্ঘকালীনতা সংজ্ঞাবদ্ধ,
কেননা প্রায় সমস্তই পণ্য; মূল্য চিরকাল নির্ধারিত
কেননা প্রাণ আছে; বিবেচনা আছে;
প্রজন্ম আছে।
কথোপকথন যত জায়মান তত মধুর-
গর্ভপাত, ইচ্ছামৃত্যু বা সমকামীতার বৈধকরণের সমীচীনতা,
পদবি পরিবর্তন, প্রথাগত কিম্বা আবেগসূচিত
রবীন্দ্রসঙ্গীত এর নিজস্বকরণ বা স্বনির্ধারণের গহির্ত্ব বা ঔদার্য্য,
বুদ্ধিবৃত্তি একম ও অব্দিতিয়ং 
'অনুগ্রহ করিয়া' র ব্যবহারের ঘনত্বের বৃদ্ধি 
প্রেয়সীর জন্য অপেক্ষার মাধুর্য্য
অপভ্র্রংশের তনিমা- শুষ্ক রসবোধ
আদরের বহিঃপ্রকাশের তীব্রতা
জনৈক সুস্থ মানুষের প্রকৃতির ভয়াবহতা
পদার্থবিদ্যা গণিতের বিশেষ ক্ষেত্র কিনা,
প্রযুক্তির দানের গ্রহণযোগ্যতা
বিশ্বায়নের ক্ষুদ্রতা বা মহানুভবতা
arithmetic progression বা cf gauss এর অনুবাদ, এমন কি লিপ্যন্তর সম্ভব কিনা
ইত্যাদি।

এই সমস্তই, হে আলেখ্য, মূলত সমর্থনযোগ্য, স্বজ্ঞাত।
তথাপি, বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ বা নোঙ্গর সম্বন্ধে পত্র বা কবিতা হয়না।
অপভ্র্রংশাত্বক রসবোধের মাধুর্য্য
উহার খরচের, মূল এবং আনুসাঙ্গিক,
ন্যায্যতা প্রতিপাদন করে কিনা, তাহা তর্কযোগ্য।

শিল হইতে মানুষ যতটা সহজাতভাবে বাঁচিয়া চলে,
এবং একই সঙ্গে শিলাবৃষ্টি উপভোগ করে;
অপভ্রংশের ক্ষেত্রে এই দর্শনের নগন্যতা অধিক দুর্লভ।
শুষ্ক ধরায় প্রথম বর্ষণের পরের সোঁদাঘ্রান
যে বস্তুত একপ্রকার ব্যাকটেরিয়ার কলাপ
সেই সত্য শিক্ষাগত পক্ষাঘাতের পশ্চাতে
উদাসীনভাবে, নিশ্চিন্তে বিরাজ করে।
'चाँद चुरा के लाया हूं, चल बैठे चर्च के पीछे' -আকৃতির।

অপভ্রংশ সংজ্ঞাগত দায়িত্বে চড়জাতীয় হওয়ায়,
শ্রোতাদের ক্রোধ অনিবার্য্য; সুপ্ত বা অন্যথা।
উপস্থিত সৃজনশীলতা যে প্রতিভারই ক্ষেত্রবিশেষ
অতীব সহজগম্য হওয়া সত্ত্বেও-
এই সত্য প্রাকৃতিক ক্রোধে অনায়াসে রক্ষাগত হয়।

বিকাশ এবং নম্রতা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিরোধী পরম্পর
আবার ভ্রম সঞ্চারণ, যেন সাহায্য প্রয়োজন;
ওজনের ইহ নাই। যথা, তথা ও নাই।

ছলাৎ ছল যত অন্যমনস্কতারই অনুসন্চারণ হোক না কেন,
আমরা জানি যে নদীর দুকূল আছে।
'ও পারেতে সর্বসুখ' ছাড়া ও জানি যে-
এপার- 'লক্ষী যখন আসবে, তখন কোথায় তারে দিবিরে ঠাঁই?'
ওপারের লক্ষী, তাঁর উৎপাদন ও উন্নয়ন থাকা সত্ত্বেও- 'পদ্মটি নাই'।
ওপার কাকতালীয় ভাবে সাহিত্য, চলচিত্র, সম্পাদনা,
পোশাকের নির্ণয়ন যে চরিত্রের বাহন-
এই সমস্ত লইয়া সন্দিহান থাকে।
এপার- 'খায় না মাথায় দেয়?' - ভাবিতে ভাবিতে
অক্লেশে বিপুল শর্করাপ্লুতো আহার্য চর্বিয়া,
অকালবোধনের প্রাতে নিজেকে ধন্য জ্ঞান করে।

এই দুই মানশিকতা যে ঢেউএর আতিচর্য এবং শশীচক্রের মতো জড়িত
ধুম্রডণ্ড এবং লক্ষী তাহা, যথাক্রমে, অনায়েসে অতিক্রম করে।
সমস্ত অপভ্রংশের পিছনে মূল পরিশ্রম, এই খরচ।

ইতির আগে তবুও পঙক্তি সম্ভব-
সান্ত্বনা খুজিলেই পাওয়া যায়-
উর্যাকেন্দ্র সর্বদা শহরের কিছুটা দূরত্বে থাকে;
ঘর্ষণের ন্যায়; প্রয়োজনীয় মন্দ।
নৌযৌক্তিক সাক্ষাত্কারে প্রয়াসই বলিয়া থাকি-
কারণ মেধা নয়; কারণ মনভাগ।
মনভাগ প্রায় সমস্তই নির্ধারণ করে।
যোগাযোগের মাধ্যম, দূরত্ব ইত্যাদি... অজ্ঞাবাদী; মনভাগ!

সূত্র সাধারণত সুলভ, বিজয়ডঙ্কা অহং
তোমার অমুক থাকিলে, সম্ভবত আমারও তমুক থাকিবে।
অহং-জনিত এই দ্বন্দে বিজয়ী যেই হোক,
অকপট স্নেহের পরাজয় নিশ্চিত।
জানি। বুঝি। বিশ্বাস ও করি।
বিশ্বাসে নয়, যুক্তিতে।
নাকি সন্তাপে?

কিন্তু সেটা গুণতান্ত্রিক নয়,
স্বভাব, ইতিহাস, অভ্যেসের- গন্ধে মাখা 
তাই দীর্ঘকালীন নয়।
আবেগ জনিত।

কিন্তু ত্রুটি তো নয়। কার ও।
প্রতিবর্তি ব্যাতিত সমস্তই তো আবেগ
উপার্জন ও।
তা সে যত যোগ্য প্রতিনিধিই হোক না কেন-
সাফল্ল্যের বা এলেম এর,
পরিচিত সৃজনশীলতার মতো 
সুখজনক বা নোনা নয়।

সব ই জানি। বুঝি।
অন্ধকার অথবা দুঃখবিলাস তবুও-
'মাংসরন্ধন-কালীন ঘ্রাণ'-এর মতো বিজয়ী।

ফুলের ভূমিকা বা সঙ্গা- শুধু নেহেরু।
জিন্না জিন্না,
বাহাদুর- লাল-বাহাদুর,
আর নেতাজি-পেঁয়াজি,
যেন কেজরিয়াল আর খড়্গপুর...
বিপরীতার্থক, মনোলোভা,
এবং দীর্ঘকালীন।