Sunday, January 22, 2017

অপভ্র্রংশাত্বক রসবোধের মাধুর্য্য
উহার খরচের, মূল এবং আনুসাঙ্গিক,
ন্যায্যতা প্রতিপাদন করে কিনা, তাহা তর্কযোগ্য।

শিল হইতে মানুষ যতটা সহজাতভাবে বাঁচিয়া চলে,
এবং একই সঙ্গে শিলাবৃষ্টি উপভোগ করে;
অপভ্রংশের ক্ষেত্রে এই দর্শনের নগন্যতা অধিক দুর্লভ।
শুষ্ক ধরায় প্রথম বর্ষণের পরের সোঁদাঘ্রান
যে বস্তুত একপ্রকার ব্যাকটেরিয়ার কলাপ
সেই সত্য শিক্ষাগত পক্ষাঘাতের পশ্চাতে
উদাসীনভাবে, নিশ্চিন্তে বিরাজ করে।
'चाँद चुरा के लाया हूं, चल बैठे चर्च के पीछे' -আকৃতির।

অপভ্রংশ সংজ্ঞাগত দায়িত্বে চড়জাতীয় হওয়ায়,
শ্রোতাদের ক্রোধ অনিবার্য্য; সুপ্ত বা অন্যথা।
উপস্থিত সৃজনশীলতা যে প্রতিভারই ক্ষেত্রবিশেষ
অতীব সহজগম্য হওয়া সত্ত্বেও-
এই সত্য প্রাকৃতিক ক্রোধে অনায়াসে রক্ষাগত হয়।

বিকাশ এবং নম্রতা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিরোধী পরম্পর
আবার ভ্রম সঞ্চারণ, যেন সাহায্য প্রয়োজন;
ওজনের ইহ নাই। যথা, তথা ও নাই।

ছলাৎ ছল যত অন্যমনস্কতারই অনুসন্চারণ হোক না কেন,
আমরা জানি যে নদীর দুকূল আছে।
'ও পারেতে সর্বসুখ' ছাড়া ও জানি যে-
এপার- 'লক্ষী যখন আসবে, তখন কোথায় তারে দিবিরে ঠাঁই?'
ওপারের লক্ষী, তাঁর উৎপাদন ও উন্নয়ন থাকা সত্ত্বেও- 'পদ্মটি নাই'।
ওপার কাকতালীয় ভাবে সাহিত্য, চলচিত্র, সম্পাদনা,
পোশাকের নির্ণয়ন যে চরিত্রের বাহন-
এই সমস্ত লইয়া সন্দিহান থাকে।
এপার- 'খায় না মাথায় দেয়?' - ভাবিতে ভাবিতে
অক্লেশে বিপুল শর্করাপ্লুতো আহার্য চর্বিয়া,
অকালবোধনের প্রাতে নিজেকে ধন্য জ্ঞান করে।

এই দুই মানশিকতা যে ঢেউএর আতিচর্য এবং শশীচক্রের মতো জড়িত
ধুম্রডণ্ড এবং লক্ষী তাহা, যথাক্রমে, অনায়েসে অতিক্রম করে।
সমস্ত অপভ্রংশের পিছনে মূল পরিশ্রম, এই খরচ।

ইতির আগে তবুও পঙক্তি সম্ভব-
সান্ত্বনা খুজিলেই পাওয়া যায়-
উর্যাকেন্দ্র সর্বদা শহরের কিছুটা দূরত্বে থাকে;
ঘর্ষণের ন্যায়; প্রয়োজনীয় মন্দ।

No comments:

Post a Comment